Rahmania Madrasah Sirajganj

রওযাতুল কুরআন মাদরাসা, চকশিয়ালকোল, সিরাজগঞ্জ।

এটি রহমানিয়া ইমদাদুল উলুম মাদরাসা সিরাজগঞ্জ এর পরিচালনাধীন মাদরাসা, পরিচালনা বিধি অনুসারে রহমানিয়া মাদরাসা সিরাজগঞ্জ এর যাবতীয় নিয়ম-কানুন অত্র মাদরাসার নিয়ম-কানুন হিসেবে নির্ধারিত।

প্রতিষ্ঠাকাল

১৭ শাবান ১৪৪৩ হিজরি মুতাবিক, ২১ মার্চ ২০২২ ইং, রোজ সোমবার

মাদরাসার শিক্ষা সংক্রান্ত বিভাগ ও ভর্তির নিয়ম-কfনুন সমূহ

বয়স্কদের কুরআন শরীফ শিক্ষা শুদ্ধকরন বিভাগঃ রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, তোমাদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ ঐ ব্যক্তি যিনি কুরআন শিক্ষা করেন এবং শিক্ষা দেন, এজন্য শুধু কুরআনের ব্যাপারে জানলে হবেনা, বরং কুরআন শুদ্ধভাবে পড়ার মতো যোগ্যতা অর্জন করতে হবে, আমাদের আশেপাশে অনেক দ্বীনি ভাই আছেন যারা খুবই চান তাদের কুরআন শুদ্ধ হোক, নচেৎ আল্লাহ তাআলার কাছে তার নামায কবুল হচ্ছেনা তিলাওয়াত অশুদ্ধ হওয়ার কারণে, এই সমস্ত দ্বীন দরদী ভাইদের জন্য যারা কুরআন শুদ্ধকরনে আগ্রহী, অত্র বিভাগ শুরু লগ্ন থেকেই সকাল ও বিকালে এক ঘণ্টা করে কুরআন শুদ্ধ করনের এই কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে, সাথে সাথে সার্বিক জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে কিভাবে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সুন্নত বাস্তবায়ন হয়ে যায় এব্যাপারেও অত্র বিভাগে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়, মুহিউস সুন্নাহ শাহ আবরারুল হক হরদুঈ রহঃ এর বিশিষ্ট খলিফা, মারকাযুল ফিকরিল ইসলামী বাংলাদেশ বসুন্ধরা ঢাকার প্রতিষ্ঠাতা ফকিহুল মিল্লাত মুফতি আব্দুর রহমান রহঃ এর অনুকরণ ও শাহ আবরারুল হক হারদুঈ রহঃ এর বিশিষ্ট খলিফা শাহ মুফতি সুহাইল দাঃ বাঃ এর অনুসরণে কুরআন শুদ্ধ করণ ও সুন্নতের এই প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়৷ ভর্তি হতে নিচ থেকে ভর্তি ফরম ডাউনলেড করুন, ফরম পূরণ করে স্বশরীরে মাদরাসায় এসে বাকি কাজ সম্পন্ন করুন।

বয়স্ক মকতব বিভাগের ফরম ডাউনলোড করুন

মক্তব–নাযেরা বিভাগঃ এটি প্রতিষ্ঠানের অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি বিভাগ, মূলত এই বিভাগের মাধ্যমে একজন সত্যিকারের তালিবুল ইলম এবং রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সত্যিকারের ওয়ারিস হওয়ার হাতে খড়ি, অভিজ্ঞ ক্বারী সাহেবগণ এই বিভাগটি পরিচালনা করে থাকেন, পাশাপাশি ছাত্রদের প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ মাসআলা-মাসাইল, জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নত বাস্তবায়নে আমলি মশকের প্রতি সর্বচ্চ গুরুত্ব দান করা হয়৷ যে সমস্ত ত্বলাবাগন মকতব-নাযেরা বিভাগে ভর্তি হতে ইচ্ছুক, তাদেরকে প্রথমত মাদ্রাসা থেকে বা নিচ থেকে ফরম সংগ্রহ করে সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে, এরপর বিভাগীয় প্রধানের কাছে এ ফরম সত্যায়ন করলে ফরমে নাম্বার দিয়ে দিবে, ফরম সত্যায়ন হয়ে গেলে ত্বলাবাগনকে মাদ্রাসা কর্তৃক জারীকৃত নির্দেশনা মুতাবিক পরীক্ষা দিতে হবে, উত্তীর্ণ ত্বলাবাগনের নামের তালিকা দ্রুত মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ প্রকাশ করবে, এককালীন নগদ অর্থ জমা দিয়ে ভর্তি হতে হবে।

মকতব-নাযেরা বিভাগের ফরম ডাউনলোড করুন

হিফযুুুল কুরআন বিভাগঃ পবিত্র কুরআনে কারিমের সহী-শুদ্ধ তিলাওয়াত চর্চার নিমিত্ত বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হাফিজে কুরআন দ্বারা বিভাগটি চালু করা হয়৷ পাশাপাশি জীবন পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ মাসাআলা-মাসাইল, সার্বিক জীবনে রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সকল সুন্নত সমূহ বাস্তবায়ন এবং বাংলাদেশের একজন আদর্শ নাগরিক হিসেবে শুদ্ধ বাংলা ভাষা বলতে পারার আমলী মশক করানো হয়৷ যে সমস্ত ত্বলাবাগন হিফজ বিভাগে ভর্তি হতে ইচ্ছুক, তাদেরকে প্রথমত মাদ্রাসা থেকে বা নিচ থেকে ফরম সংগ্রহ করে সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে, এরপর বিভাগীয় প্রধানের কাছে এ ফরম সত্যায়ন করলে ফরমে নাম্বার দিয়ে দিবে, ফরম সত্যায়ন হয়ে গেলে ত্বলাবাগনকে মাদ্রাসা কর্তৃক জারীকৃত নির্দেশনা মুতাবিক পরীক্ষা দিতে হবে, উত্তীর্ণ ত্বলাবাগনের নামের তালিকা দ্রুত মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ প্রকাশ করবে, এককালীন নগদ অর্থ জমা দিয়ে ভর্তি হতে হবে।

হিফযুল কুরআন বিভাগের ফরম ডাউনলোড করুন

মাদরাসার ব্যয় নির্বাহ পদ্ধতি

সম্পূর্ণ বেসরকারি, অরাজনৈতিক এ প্রতিষ্ঠানের আয়-উপার্জনের স্থায়ী কোনো উৎস নেই। সকল কার্যক্রম আল্লাহ তাআলার ফজল ও করমে মুসলিম ভ্রাতৃবৃন্দের স্বেচ্ছা প্রদত্ত অনুদান ও আন্তরিক দুআর মাধ্যমে পরিচালিত হয়, তবে অর্থ সংগ্রহের ব্যাপারে নিম্নোক্ত দুই জন আকাবিরে উম্মতের স্মরণীয় বাণী প্রতিষ্ঠানের মূল পাথেয়।

হাকীমুল উম্মত হযরত মাওলানা আশরাফ আলী থানবী রহ. ইরশাদ করেনঃ

  • দ্বীনি প্রতিষ্ঠানের কোন কাজের অর্থের প্রয়োজন হলে মুসলিম সমাজকে সাধারণভাবে অবগত করাই যথেষ্ট। এতে কেউ স্বতঃস্ফূর্ত দান করলে সাদরে গ্রহণ করা হবে।
  • কমিশন ভিত্তিক চাঁদা কালেকশন করা বা অন্যকে দ্বারা করানো শরীয়ত সম্মত নয়।
  • চাঁদায় হারাম মাল বা টাকা-পয়সা গ্রহণ করা যাবে না। দাতার স্বাভাবিক অবস্থা ছাড়া অস্বাভাবিক অবস্থায় কোন প্রকার চাঁদা প্রদান করা ও গ্রহণ করা জায়েয নয়।
  • নিজেকে অপমানিত হতে হয় এমন নিয়মে চাঁদা উসুল করা যাবে না, অপমানিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে এমন নিয়মে চাঁদা আদায় নাজায়েজ।
  • চাঁদা উসুলকারী যদি বুঝতে পারে যে তার চাপাচাপির কারণেই চাঁদা দেয়া হচ্ছে, তাহলে এমন চাঁদা দেয়া এবং গ্রহণ করা কোনোটিই জায়েজ নয়।
  • চাঁদা চাওয়ার ক্ষেত্রে ইস্তেগনা বা আত্মমর্যাদাবোধ রক্ষা করা অতিজরুরী।
  • দ্বীনী প্রতিষ্ঠানের জন্য সাধারণ ভাবে চাঁদা আহবানে কোন আপত্তি নেই, লজ্জায় ফেলে চাঁদা উসুল করা গুনাহ, চাঁদা প্রদানের জন্য উৎসাহ প্রদান করা জায়েজ, যে কোনো চাপ সৃষ্টিমুলক চাঁদা সংগ্রহ থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকা হোক।

-আলইলমু ওয়াল উলামা

মুহিউস সুন্নাহ হযরত শাহ আবরারুল হক হরদুঈ রহ. ইরশাদ করেনঃ

  • এধরনের দ্বীনি প্রতিষ্ঠান সচরাচর মুসলিম সমাজের আর্থিক সহযোগিতায় পরিচালিত হয়ে থাকে, তবে এমন ভাবে অর্থ আহ্বান করা উচিত নয় যাতে করে মানুষ লজ্জা ও বিব্রত বোধ করে।
  • প্রতিষ্ঠানের চলমান অবস্থা, লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও কার্যাদি সহ ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাদি সম্পর্কে সম্যক অবগত করে চাঁদার কথা এমন ভাবে বলা যেতে পারে যে, কারো হাতে এর চেয়ে অধিক গুরুত্বপূর্ণ কোনো কর্মসূচি না থাকলে অত্র প্রতিষ্ঠানের সার্বিক সহযোগিতায় এগিয়ে আসবেন।

হযরতওয়ালা শাহ ফকিহুল মিল্লাত মুফতি আব্দুর রহমান রহ. ইরশাদ করেনঃ

  • আহলে ইলম কোন আহলে মালের কাছে গিয়ে ধরনা না ধরা, সকলে মিলে আসমান থেকে রিযিক আনার চেষ্টা করা। মানুষের কাছে চাইলে মানুষ বিরক্ত হয়, কিন্তু আল্লাহর কাছে চাইলে আল্লাহ তাআলা খুশি হয়, না চাইলে রাগান্বিত হয়।র

পূর্বোল্লিখিত বাণীসমূহ অনুসরণ করে দেশে-বিদেশে চাঁদা সংগ্রহের জন্য প্রতিষ্ঠান থেকে কোনো প্রতিনিধি পাঠানো হয় না ও কোথাও কোন ধরনের সাহায্যের আবেদন করা হয় না। অতএব মাদ্রাসার স্থায়ীকরণের জায়গা, মসজিদ, এতীমখানা, ছাত্রাবাস নির্মান বাবদ খরচ, কর্তব্যরত শিক্ষকবৃন্দের বেতন ভাতা ও প্রশিক্ষণরত গরিব মিসকিন তালিবুল ইলমদের ভরণপোষণসহ অপরাপর প্রয়োজনাদি পূরণে কোন ধর্মপ্রাণ মুসলমান স্বতঃস্ফূর্ত অংশ নিতে ইচ্ছা পোষণ করলে, নিম্নে প্রদত্ত ঠিকানায় যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

ব্যয়ের খাত সমূহ

সাধারন ফান্ড, মেহমান ফান্ড, গোড়াবা ফান্ড, তামির (নির্মান) ফান্ড, হাদিয়া (বেতন) ফান্ড, মাহে রমাযান ফান্ড, বিবিধ ফান্ড।

সার্বিক যোগাযোগঃ পরিচালক, রওযাতুল কুরআন মাদরাসা, চকশিয়ালকোল, সিরাজগঞ্জ, বাংলাদেশ। মোবাইলঃ 01917443377