আরবী তারিখঃ এখন ১৬ জিলহজ ১৪৪৫ হিজরি মুতাবিক, ২৩ জুন ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, রোজ রবিবার, সময় বিকাল ৫:১৯ মিনিট
খানকাহ এর সুন্নতী ইজতেমা ও মারকাজী মজলিসে আইম্মাহ সমূহ
সুন্নতী ইজতেমাঃ প্রতি বছরের মাহে মুহাররম, মাহে রবিউস সানী ও মাহে রজব এর প্রথম সপ্তাহের বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার হযরাতে সালেকীনদের জন্য রহমানিয়া মাদরাসা সিরাজগঞ্জ প্রাঙ্গনে খানকাহে ইমদাদিয়া আশরাফিয়ার সুন্নতী ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে ইনশাআল্লাহ।
মারকাজী মজলিসে আইম্মাহঃ ১. মাহে শাউয়ালের শেষ শনিবার। ২. মাহে যিলহজের শেষ শনিবার। ৩. মাহে সফরের শেষ শনিবার। ৪. মাহে রবিউস সানীর শেষ শনিবার। ৫. মাহে জুমাদাল আখিরাহ এর শেষ শনিবার। ৬. মাহে রজবের শেষ সপ্তাহে বিষয় ভিত্তিক মজলিস।
বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ- ✓✓ প্রতি আরবী মাসের শেষ বৃহস্পতিবার রহমানিয়া মাদরাসার সকলের জন্য মাসিক সুন্নতী ইজতেমা হবে। ✓✓ প্রতি বছর ২০ শাবান থেকে ৩০ রমাযানুল মুবারক পর্যন্ত ৪০ দিন, রমাযানুল মুবারক এর প্রথম ১৫ দিন, রমাযানুল মুবারক এর শেষ দশক হযরাতে সালেকীনদের জন্য এতেকাফ হবে ইনশাআল্লাহ।
সুন্নতী মজলিস/মজলিসে আইম্মাহ সমূহ (আঞ্চলিক)
সুন্নতী মজলিসঃ ১. ২৯ জুন ২৪ ইং রোজ শনিবার শাহজাদপুরের গাড়াদহ ফিল্ড জামে মসজিদে সুন্নতী মজলিস। ২. ১৩ জুলাই ২৪ ইং রোজ শনিবার উল্লাপাড়ার ডেফলবাড়ী নুরানীয়া হাফিজিয়া মাদরাসায় সুন্নতী মজলিস।
মজলিসে আইম্মাহঃ ১১ জুলাই ২৪ ইং রোজ বৃহস্পতিবার চরমেটুয়ানী মসজিদে ধুকুরিয়াবেড়া ইউনিয়নের মজলিসে আইম্মাহ।

হযরতজী ইলিয়াস রহঃ এর তবলিগ ও বর্তমান তবলিগের পার্থক্য

হযরত ইলিয়াস রহ. লোকদেরকে দ্বীনী কথা পৌঁছিয়ে সফর থেকে ফিরলে সর্বপ্রথম হযরত থানবী বা হযরত গঙ্গুহী বা হযরত খলীল আহমদ সাহারানপুরী রহ. এর সোহবতে চলে যেতেন।  কখোনই এর ব্যতিক্রম না করার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, জনগণের সাথে ওঠা-বসার দ্বারা দিলে ধূলা ময়লা লাগে। সেগুলো পরিষ্কার করার জন্য এই আল্লাহ্ওয়ালাদের সোহবতে যাই। হযরত মাওলানা এন্আমুল হাসান রহ. দাওয়াত ও তবলীগের মেহনতের ফাঁকে লোকদেরকে বায়আতও করতেন।  দিল্লী নিযামুদ্দীনে একদিকে মিম্বরে বয়ান হত।  আর তার পিছনে হযরতের সোহবতে অনে.. ক বড় মজমা বসে থাকতো। সেখানে শুধুই হযরতের সোহবতে মানুষ বসতো। সেখানে কোন বয়ান হত না।বড়দের সোহবতে বসে থাকাই দ্বীন। এটা হযরত মাওলানা এনআমুল হাসান রহ. এর পরে শেষ হয়ে গেছে। তারপর পেরেশানী আর পেরেশানী শুরু হয়েছে।ততক্ষণ পর্যন্ত কোন দ্বীনী কাজের মধ্যে কোন খায়ের বরকত হবে না যতক্ষণ না ঐ দ্বীনী কাজকারনেওয়ালারা আল্লাহ্ওয়ালাদের সোহবতের এহতেমাম করবে। সোহবত ব্যতীত তারা কেউ হকের উপর কায়েমও থাকতে পারবে না।এটা আরেক ভুল পদ্ধতি যে, এ লোক আমাদের কাজকে সাপোর্ট করে, মাঝে মধ্যে আমাদের কথা বলে তা-ই চল এখানেই যাই। এটা ভুল। আগে দেখতে হবে, সেখানে তোমার দিলের মিল হয় কি না।যারা আকাবিরে দ্বীনের তালীম-তরবিয়ত-উসূলের সাথে সাংঘর্ষিক অবস্থানে আসে তারা গোমরাহীতে নিমজ্জিত।আকাবিরদের বর্জনকারীকে বর্জন করা ফরয। পুরা উম্মত যেন তাদেরকে বর্জন করে দেয়। তাহলেই সিরাতুল মুস্তাকীমের উপর কায়েম থাকা সম্ভব হবে।ঐক্যের মূল হল নিজের আমিত্বকে মিটিয়ে দেওয়া যে, আমি কিছু নয়। আমি থাকি বা না থাকি দ্বীন থাকুক। নইলে ফিতনা-ফাসাদ বাড়তেই থাকবে।দ্বীনী কাজে দলীয় মনোবৃত্তি হলেই বুঝতে হবে যে, এটা ভুল রাস্তায় পরিচালিত হচ্ছে।হযরত ইলিয়াস রহ. এর মোবারক উসূলের ভিত্তিতেই কাজ আগে বেড়েছিল এবং এখনো বাড়বে।সদা এই ধ্যান জাগ্রত রাখা চাই যে, আমার কাজ আখেরাতের জন্য লাভ না ক্ষতি।তাবলীগের বিষয়ে অনেক বেশি কান্নাকাটি করা উচিত এবং এই দোআ করা উচিত যে…আয় আল্লাহ্! যে পেরেশানী পয়দা হয়ে গেছে,  আপনি তার উত্তম সমাধান করে দেন।

Loading