আরবী তারিখঃ এখন ১৬ শাবান ১৪৪৫ হিজরি মুতাবিক ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, রোজ সোমবার, সময় রাত ১১:৩৯ মিনিট
এলানঃ-
১৪৪৫-১৪৪৬ হিজরী, ২০২৪-২০২৫ ইং এর মাসিক সুন্নতী ইজতেমা সমূহ
* ২৫ এপ্রিল ২৪ ইং বৃহস্পতিবার মাগরিব-ইশা মাদরাসার সকলের জন্য
* ৩০-৩১ মে ২৪ ইং বৃহস্পতিবার ফজর-শুক্রবার মাগরিব পর্যন্ত সালেকীনদের জন্য
* ২৭ জুন ২৪ ইং বৃহস্পতিবার মাগরিব-ইশা মাদরাসার সকলের জন্য
* ২৫-২৬ জুলাই ২৪ ইং বৃহস্পতিবার ফজর-শুক্রবার মাগরিব পর্যন্ত সালেকীনদের জন্য
* ২৯ আগষ্ট ২৪ ইং বৃহস্পতিবার মাগরিব-ইশা মাদরাসার সকলের জন্য
* ২৬-২৭ সেপ্টেম্বর ২৪ ইং বৃহস্পতিবার ফজর-শুক্রবার মাগরিব পর্যন্ত সালেকীনদের জন্য
* ২৪ অক্টোবর ২৪ ইং বৃহস্পতিবার মাগরিব-ইশা মাদরাসার সকলের জন্য
* ২৮-২৯ নভেম্বর ২৪ ইং বৃহস্পতিবার ফজর-শুক্রবার মাগরিব পর্যন্ত সালেকীনদের জন্য
* ২৬ ডিসেম্বর ২৪ ইং বৃহস্পতিবার মাগরিব-ইশা মাদরাসার সকলের জন্য
* ৩০-৩১ জানুয়ারী ২৫ ইং বৃহস্পতিবার ফজর-শুক্রবার মাগরিব পর্যন্ত সালেকীনদের জন্য
* ২৭ ফেব্রুয়ারী ২৫ ইং বৃহস্পতিবার মাগরিব-ইশা মাদরাসার সকলের জন্য
* মার্চ ২৫ ইং এজতেমা সালেকীনদের জন্য

হযরতজী ইলিয়াস রহঃ এর তবলিগ ও বর্তমান তবলিগের পার্থক্য

হযরত ইলিয়াস রহ. লোকদেরকে দ্বীনী কথা পৌঁছিয়ে সফর থেকে ফিরলে সর্বপ্রথম হযরত থানবী বা হযরত গঙ্গুহী বা হযরত খলীল আহমদ সাহারানপুরী রহ. এর সোহবতে চলে যেতেন।  কখোনই এর ব্যতিক্রম না করার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, জনগণের সাথে ওঠা-বসার দ্বারা দিলে ধূলা ময়লা লাগে। সেগুলো পরিষ্কার করার জন্য এই আল্লাহ্ওয়ালাদের সোহবতে যাই। হযরত মাওলানা এন্আমুল হাসান রহ. দাওয়াত ও তবলীগের মেহনতের ফাঁকে লোকদেরকে বায়আতও করতেন।  দিল্লী নিযামুদ্দীনে একদিকে মিম্বরে বয়ান হত।  আর তার পিছনে হযরতের সোহবতে অনে.. ক বড় মজমা বসে থাকতো। সেখানে শুধুই হযরতের সোহবতে মানুষ বসতো। সেখানে কোন বয়ান হত না।বড়দের সোহবতে বসে থাকাই দ্বীন। এটা হযরত মাওলানা এনআমুল হাসান রহ. এর পরে শেষ হয়ে গেছে। তারপর পেরেশানী আর পেরেশানী শুরু হয়েছে।ততক্ষণ পর্যন্ত কোন দ্বীনী কাজের মধ্যে কোন খায়ের বরকত হবে না যতক্ষণ না ঐ দ্বীনী কাজকারনেওয়ালারা আল্লাহ্ওয়ালাদের সোহবতের এহতেমাম করবে। সোহবত ব্যতীত তারা কেউ হকের উপর কায়েমও থাকতে পারবে না।এটা আরেক ভুল পদ্ধতি যে, এ লোক আমাদের কাজকে সাপোর্ট করে, মাঝে মধ্যে আমাদের কথা বলে তা-ই চল এখানেই যাই। এটা ভুল। আগে দেখতে হবে, সেখানে তোমার দিলের মিল হয় কি না।যারা আকাবিরে দ্বীনের তালীম-তরবিয়ত-উসূলের সাথে সাংঘর্ষিক অবস্থানে আসে তারা গোমরাহীতে নিমজ্জিত।আকাবিরদের বর্জনকারীকে বর্জন করা ফরয। পুরা উম্মত যেন তাদেরকে বর্জন করে দেয়। তাহলেই সিরাতুল মুস্তাকীমের উপর কায়েম থাকা সম্ভব হবে।ঐক্যের মূল হল নিজের আমিত্বকে মিটিয়ে দেওয়া যে, আমি কিছু নয়। আমি থাকি বা না থাকি দ্বীন থাকুক। নইলে ফিতনা-ফাসাদ বাড়তেই থাকবে।দ্বীনী কাজে দলীয় মনোবৃত্তি হলেই বুঝতে হবে যে, এটা ভুল রাস্তায় পরিচালিত হচ্ছে।হযরত ইলিয়াস রহ. এর মোবারক উসূলের ভিত্তিতেই কাজ আগে বেড়েছিল এবং এখনো বাড়বে।সদা এই ধ্যান জাগ্রত রাখা চাই যে, আমার কাজ আখেরাতের জন্য লাভ না ক্ষতি।তাবলীগের বিষয়ে অনেক বেশি কান্নাকাটি করা উচিত এবং এই দোআ করা উচিত যে…আয় আল্লাহ্! যে পেরেশানী পয়দা হয়ে গেছে,  আপনি তার উত্তম সমাধান করে দেন।

Loading