আরবী তারিখঃ এখন ৫ শাওয়াল ১৪৪৫ হিজরি মুতাবিক ১৪ এপ্রিল ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, রোজ রবিবার, সময় রাত ৯:১৭ মিনিট
এলানঃ-
১৪৪৫-১৪৪৬ হিজরী, ২০২৪-২০২৫ ইং এর মাসিক সুন্নতী ইজতেমা সমূহ
* ২৫ এপ্রিল ২৪ ইং বৃহস্পতিবার মাগরিব-ইশা মাদরাসার সকলের জন্য
* ৩০-৩১ মে ২৪ ইং বৃহস্পতিবার ফজর-শুক্রবার মাগরিব পর্যন্ত সালেকীনদের জন্য
* ২৭ জুন ২৪ ইং বৃহস্পতিবার মাগরিব-ইশা মাদরাসার সকলের জন্য
* ২৫-২৬ জুলাই ২৪ ইং বৃহস্পতিবার ফজর-শুক্রবার মাগরিব পর্যন্ত সালেকীনদের জন্য
* ২৯ আগষ্ট ২৪ ইং বৃহস্পতিবার মাগরিব-ইশা মাদরাসার সকলের জন্য
* ২৬-২৭ সেপ্টেম্বর ২৪ ইং বৃহস্পতিবার ফজর-শুক্রবার মাগরিব পর্যন্ত সালেকীনদের জন্য
* ২৪ অক্টোবর ২৪ ইং বৃহস্পতিবার মাগরিব-ইশা মাদরাসার সকলের জন্য
* ২৮-২৯ নভেম্বর ২৪ ইং বৃহস্পতিবার ফজর-শুক্রবার মাগরিব পর্যন্ত সালেকীনদের জন্য
* ২৬ ডিসেম্বর ২৪ ইং বৃহস্পতিবার মাগরিব-ইশা মাদরাসার সকলের জন্য
* ৩০-৩১ জানুয়ারী ২৫ ইং বৃহস্পতিবার ফজর-শুক্রবার মাগরিব পর্যন্ত সালেকীনদের জন্য
* ২৭ ফেব্রুয়ারী ২৫ ইং বৃহস্পতিবার মাগরিব-ইশা মাদরাসার সকলের জন্য
* মার্চ ২৫ ইং এজতেমা সালেকীনদের জন্য

সুদ ও মুনাফা কি এক? —মুফতি রায়হান কবীর, বসুন্ধরা, ঢাকা৷

সুদ হচ্ছে ঋণকৃত অর্থের উপর একটি নির্দিষ্ট সময়ে নিশ্চিত সুনির্দিষ্ট অতিরিক্ত পাওনা । অর্থাৎ সুদের সাথে ‘নিশ্চিত’ এবং ‘সুনির্দিষ্ট’ শব্দ দুটির সম্পর্ক রয়েছে । যেমন আপনি কারো নিকট হতে ২০% সুদে ১,০০০ টাকা ঋণ নিলেন । এই ঋণকৃত টাকা আপনি ব্যবসায় খাটাতে পারেন , আবার শিল্পে বিনিয়োগ করতে পারেন , আবার ভোগে ব্যয় করতে পারেন । এই ১,০০০ টাকা নিয়ে আপনি যাই করেন না কেন , বছর শেষে ঋণ প্রদানকারীকে ২০০ টাকা প্রদান করতে হবে । এক্ষেত্রে ঋণ প্রদানকারী নিশ্চিত জানে যে , বছর শেষে আপনার নিকট হতে সে নির্দিষ্ট ২০০ টাকা পাবে । এখানে ২০০ টাকা হল সুদের পরিমাণ , যা ইসলামে নিষিদ্ধ ।

অন্যদিকে মুনাফা হল ব্যবসা বা শিল্পখাতে বা উৎপাদনশীল কোন খাতে বিনিয়োগকৃত অর্থের উপর একটি নির্দিষ্ট সময়ে অনিশ্চিত অনির্দিষ্ট অতিরিক্ত পাওনা । অর্থাৎ মুনাফার সাথে ‘অনিশ্চিত’ এবং ‘অনির্দিষ্ট’ শব্দ দুটির সম্পর্ক রয়েছে । ‘অনিশ্চিত’ শব্দটি থাকার কারণে অতিরিক্ত পাওনার বিষয়টি নিশ্চিত নয়
। অর্থাৎ কোন কোন সময় অতিরিক্ত পাওনার পরিবর্তে ক্ষতি হতে পারে । আবার ‘অনির্দিষ্ট’ শব্দটির কারণে বলা যায় যে , অতিরিক্ত পাওনার পরিমাণটি সুনির্দিষ্ট নয় । যেমন আপনি কারো নিকট হতে ১,০০০ টাকা নিয়ে ব্যবসায় খাটাতে পারেন বা
শিল্পে বিনিয়োগ করতে পারেন । এক্ষেত্রে যার নিকট হতে আপনি টাকা নিয়েছেন , তাকে আগাম বলতে পারবেন না যে , আমি আপনাকে ২০০ টাকা মুনাফা দেব । বরং বলতে পারেন , অর্জিত মুনাফার বা ক্ষতির ৫০% আপনি পাবেন । এখন বছর শেষে অর্জিত মুনাফার পরিমাণ ৪০০ টাকা হলে এর ৫০% ২০০ টাকা অর্থপ্রদানকারী পাবে , যা মুল অর্থের (১০০০ টাকার) ২০% । আবার অর্জিত মুনাফার পরিমাণ ৩০০ টাকা হলে এর ৫০% ১৫০ টাকা অর্থপ্রদানকারী পাবে , যা
মুল অর্থের (১০০০ টাকার) ১৫% । অর্থাৎ মুনাফার পরিমাণ সুনির্দিষ্ট নয় , এটি মূল টাকার ২০% হতে পারে, আবার ১৫% হতেও পারে ।

Loading