Rahmania Madrasah Sirajganj

রহমানিয়া ইমদাদুল উলুম মাদরাসা সিরাজগঞ্জ বাংলাদেশ এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য

نحمده ونصلي على رسوله الكريم اما بعد

রহমানিয়া ইমদাদুল উলুম মাদরাসা সিরাজগঞ্জ, বাংলাদেশ যেহেতু বিশ্ব বিখ্যাত দারুল উলুম দেওবন্দের একটি শাখা বা দারুল উলুম দেওবন্দের আদর্শে আদর্শিত, তাই দারুল উলুম দেওবন্দ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য–উদ্দেশ্যই রহমানিয়া ইমদাদুল উলুম মাদরাসা সিরাজগঞ্জ, বাংলাদেশ এর লক্ষ্য–উদ্দেশ্য।

দারুল উলুম দেওবন্দের মূল লক্ষ্য-উদ্দেশ্য দুইটিঃ

১. ইশাআতে ইসলাম বা ইসলামের ব্যাপক প্রচার-প্রসার।

২. তাহাফফুযে ইসলাম বা ইসলামের সঠিক সংরক্ষন।

দারুল উলুম দেওবন্দের প্রতিষ্ঠাতা হুজ্জাতুল ইসলাম হযরত মাওলানা কাসেম নানুতবী রহ. বলেনঃ

আমাদের তালিমের উদ্দেশ্য হলো এমন ব্যক্তিত্ব তৈরি করা, যাদের দেখতে হিন্দুস্থানী হলেও মূলত তারা ইসলামী ব্যক্তিত্ব হিসেবে আবির্ভূত হবেন।

৩১ মে ১৮৬৬ ইং মুতাবিক ১৫ মুহাররম ১২৮৩ হিজরী রোজ বৃহস্পতিবার বিশ্ব বিখ্যাত দারুল উলুম দেওবন্দ প্রতিষ্ঠিত হয়, দারুল উলুম দেওবন্দের প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে এ মাদ্রাসার প্রথম ছাত্র শাইখুল হিন্দ মাওলানা মাহমুদ হাসান দেওবন্দী রহ. বলেনঃ

আমাদের উস্তাদ হযরত মাওলানা কাসেম নানুতুবী রহ. কি দারুল উলুম দেওবন্দ মাদ্রাসা শুধু দরস-তাদরীস ও তালীম-তাআল্লুম এর জন্য প্রতিষ্ঠা করেছিলেন? দারুল উলুম দেওবন্দ তো আমার সামনেই প্রতিষ্ঠা করা হয়, আমি যতোটুকু জানি ১৮৫৭ ইং এর পরাজয়ের পর দারুল উলুম দেওবন্দ এজন্য প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে যে, এমন একটি কেন্দ্র তৈরি হোক যার মধ্যে এমন এমন ব্যাক্তি তৈরি করা হবে, যেন তাদের কার্যক্রমের মাধ্যমে ১৮৫৭ ইং এর ক্ষতিপূরণ হয়ে যায়।

জাঁনসিনে শাইখুল ইসলাম হযরত মাওলানা সায়্যিদ আরশাদ মাদানী দামাত বারাকাতুহুম বলেনঃ

দারুল উলুম দেওবন শুধু একটি মাদ্রাসা নয় বরং এটি একটি আন্দোলন, এবং যারা এটাকে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তারা ১৮৫৭ ইং এর আন্দোলনে শরিক ছিলেন, তাদের কাছে দারুল উলুম দেওবন্দের খিদমত পৌঁছে দেয়ার জন্য এবং এর মাধ্যমে মানুষের উপকার যেন ব্যাপকতা লাভ করে এর জন্য হিন্দু মুসলমানের কোন পার্থক্য ছিল না। অর্থাৎ ব্যক্তি হিন্দু হোক বা মুসলমান দারুল উলুম দেওবন্দ এর মাধ্যমে অবশ্যই যেকোনোভাবে উপকৃত হবে।