আরবী তারিখঃ এখন ১৫ জিলকদ ১৪৪৫ হিজরি মুতাবিক ২৪ মে ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, রোজ শুক্রবার, সময় দুপুর ১:০৮ মিনিট
এলানঃ-
>>> ১৪৪৫-১৪৪৬ হিজরী, ২০২৪-২০২৫ ইং তে সালেকীনদের জন্য সুন্নতী ইজতেমা সমূহ <<<
* মাহে যিলক্বদের প্রথম সপ্তাহের বৃহস্পতিবার ফজর থেকে শুক্রবার মাগরিব পর্যন্ত। (আসন্ন)
* মাহে রবিউল আউয়ালের শেষ সপ্তাহের বৃহস্পতিবার ফজর থেকে শুক্রবার মাগরিব পর্যন্ত। (আসন্ন)
* মাহে রজবের প্রথম সপ্তাহের বৃহস্পতিবার ফজর থেকে শুক্রবার মাগরিব পর্যন্ত। (আসন্ন)
.....................................................................
>> ১৪৪৫-১৪৪৬ হিজরী, ২০২৪-২০২৫ ইং তে মজলিসে আইম্মাহ সমূহ (ইমাম-মুআজ্জিনদের জন্য) <<<
* মাহে শাউয়ালের শেষ শনিবার সকাল ৮টা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত। (হয়ে গেছে)
* মাহে মুহাররমের শেষ শনিবার সকাল ৮টা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত। (আসন্ন)
* মাহে রবিউস সানীর শেষ শনিবার সকাল ৮টা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত। (আসন্ন)
* মাহে রজবের শেষ সপ্তাহে বিষয় ভিত্তিক সেমিনার। (আসন্ন)
*** প্রতি আরবী মাসের শেষ বৃহস্পতিবার মাদরাসার সকলের জন্য মাসিক সুন্নতী ইজতেমা।
*** প্রতি বছর ২০ শাবান থেকে ৩০ রমাযানুল মুবারক পর্যন্ত ৪০ দিন, রমাযানুল মুবারক এর প্রথম ১৫ দিন, রমাযানুল মুবারক এর শেষ দশক হযরাতে সালেকীনদের জন্য এতেকাফ।

যুগে যুগে কীভাবে ফেরকা জন্ম নিয়েছে? –সায়্যিদ আবুল হাসান আলি নদভি রহ.

‘আল্লাহর দিকে, আল্লাহর দ্বীনের দিকে মানুষকে ডাকা ফরয। এর জন্যে কোনো ধরন নির্ধারিত নেই।… সব জায়গায় বা সব ব্যক্তির ওপর দাওয়াতের একটি ধরণ নির্ধারিত করে অহিলব্ধ বিধানের মতো চাপাচাপি করা কখনই সঠিক নয়।

আমরা মাঝে-মাঝে অনুভব করি যে, একটি শ্রেণি মনে করে বেড়াচ্ছে যে, ‘তাদের কর্মপদ্ধতিই সঠিক। যারা দ্বীনের খেদমত করতে চায়, তাদেরকে সবসময় ও সব জায়গায় ওই পদ্ধতিই অবলম্বন করতে হবে। এর বাইরে অন্য সব পদ্ধতি ভুল। যতোক্ষণ পর্যন্ত তার বলা বিশেষ পদ্ধতির ওপর অন্যরা কাজ না করবে, তাদের সব চেষ্টা, প্রয়াস ও সাধনা ব্যর্থ।’ বলার অপেক্ষা রাখে না, তাদের এই দৃষ্টিভঙ্গি খুবই বিপদজনক।
যুগে যুগে এ ধরনের দৃষ্টিভঙ্গির কারণেই বিভিন্ন দল-উপদল-ফেরকা জন্ম নিয়েছে।…
ইতিহাসে এমন অনেক উদাহরণ রয়েছে যে, কোনো কাজ প্রথম দিকে বিশুদ্ধ লক্ষ্য ও দ্বীনের কল্যাণকামিতার উদ্দেশ্য নিয়ে শুরু হয়েছিল; কিন্তু পরবর্তীকালে সেটি ভুল পথে চলে যায়। এ ধরনের পরিস্থিতিতে মূল বাস্তবতা ও রুসম, সুন্নত ও বিদআত, বৈধ ও ফরযের মাঝে পার্থক্য করাটাই তাফাক্কুহ ফিদ দ্বীন বা দ্বীনের গভীর প্রজ্ঞার প্রতীক।’

* সাদ সাহেব সমীপে খোলা চিঠি [তাবলীগ : ৪]
* তাবলীগে দ্বীন কে লিয়ে এক উসুল
খুতুবাতে আলি মিয়া রহ. খ : ৫। পৃ : ৪৪২-৪৪৪

Loading