Rahmania Madrasah Sirajganj

মজলিসে তানফিযুল কুরআন ওয়াস সুন্নাহ বাংলাদেশ এর অবদান

১. অত্র প্রতিষ্ঠানের জন্মই হয় মানব কল্যাণের জন্য, গরীব দুস্থ ও অসহায়দের খুঁজে বের করে আর্থিকভাবে তাদের পাশে দাঁড়ানো অত্র প্রতিষ্ঠান মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ছিল, এ লক্ষ্যে প্রাথমিকভাবে দেশের বিভিন্ন স্থানে মাদ্রাসার ছাত্র-উস্তাদের মধ্যে খুবই গোপনীয় তার সাথে নগদ অর্থ ও পোশাক হাদিয়া পাঠানো হয়। বর্তমানে এর ধারাবাহিকতা এখনও চালু আছে আলহামদুলিল্লাহ।

২. প্রত্যেক মুসলমানের শরীয়ত কর্তৃক নির্ধারিত ইবাদতসমূহ করা নিতান্তই অত্যাবশ্যক একটি কাজ, পাশাপাশি উক্ত ইবাদত সমূহ সঠিক ও শুদ্ধ ভাবে পালন করাও অত্যাবশ্যক, এজন্য দেশের প্রতিটি গ্রাম মহল্লার মসজিদসমূহে নামাজ ও অন্যান্য ইবাদতসমূহের মশকে আমলী বা প্রাকটিক্যাল ট্রেনিং চালু রয়েছে আলহামদুলিল্লাহ, আপাতত সিরাজগঞ্জ জেলার মধ্যে চালু রয়েছে তবে খুব দ্রুত এটি সারা দেশব্যাপী বিস্তৃত করার চেষ্টা চলছে ইনশাআল্লাহ।

৩. ‘বয়স্ক মকতব-মাদরাসা’ একটি জাতীয় পর্যায়ের প্রকল্প, এ প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের প্রত্যেকটি গ্রামে মহল্লায় একটি করে বয়স্ক মকতব মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে, এ মাদ্রাসার মাধ্যমে ছোট ছোট বাচ্চা এবং বয়স্ক ব্যক্তিবর্গ বিশেষভাবে যারা জেনারেল শিক্ষায় শিক্ষিত, তাদের মাঝে কুরআন ও সুন্নাহের সঠিক জ্ঞান পৌছে দেয়াই একমাত্র উদ্দেশ্য।

৪. নামাজের সঠিক সময় অনুযায়ী নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা, প্রত্যেক মুসলমানের নামাজ পড়া ফরজ, মাহে রমাযানে রোজা রাখা ফরজ, আরে লক্ষ্যে প্রয়োজন একটি সঠিক সময় সূচি, মুসলমানদের মধ্যে সঠিক সময় সূচি অনুযায়ী আমল করার প্রবণতা অনেক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে, উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে আমরা সিরাজগঞ্জ জেলার জন্য উক্ত ইবাদতসহ আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত সমূহ সঠিক সময়ে পালনের উদ্দেশ্যে আমরা চিরস্থায়ী ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করেছি, যা ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বাংলাদেশ বসুন্ধরা ঢাকা এর বিজ্ঞপ্তি সাহেবগণ প্রণয়ন করে পাঠিয়েছেন, এখন পর্যন্ত অসংখ্য কপি আমাদের পক্ষ থেকে বিনামূল্যে এবং অনেকের কাছে ক্রয়ের মাধ্যমে উক্ত কাজ বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করা হয়েছে, কেবলমাত্র সিরাজগঞ্জ জেলার চিরস্থায়ী সময়সূচী প্রণয়ন করা হয়েছে, ভবিষ্যতে বাংলাদেশের প্রতিটি জেলার চিরস্থায়ী সময়সূচী অত্র প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে জেলা ভিত্তিক কার্যক্রম এগিয়ে নেয়ার ইচ্ছা রয়েছে ইনশাআল্লাহ।

৫. জাতীয় চাঁদ পর্যবেক্ষণ পরিষদ, উক্ত পরিষদ এখন একটি ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠানে রূপ নিয়েছে, জাতীয় চাঁদ পর্যবেক্ষণ পরিষদের কার্যক্রম সারা দেশব্যাপী সহজেই বিস্তৃত হয়েছে, এর মাধ্যমে আরবি মাসের সঠিক তারিখের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা এখন খুবই সহজ, বাংলাদেশ সরকারের চাঁদ দেখা কমিটি বিভিন্ন সময় মুসলমানদের অনেক ক্ষেত্রে চাঁদ দেখার অবহেলাই প্রমাণ করেছিল, আলহামদুলিল্লাহ জাতীয় চাঁদ পর্যবেক্ষক পরিষদ বাংলাদেশ চাঁদ দেখার চাহিদা পূরণে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছে। চাঁদ দেখার সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনায় রয়েছে মজলিসে শূরা, মজলিসে আমেলাসহ গুরুত্বপূর্ণ পরিচালনা পরিষদ, উক্ত প্রতিষ্ঠানকে আরো অগ্রগামী করার যাবতীয় চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।