আরবী তারিখঃ এখন ১৬ জিলহজ ১৪৪৫ হিজরি মুতাবিক, ২৩ জুন ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, রোজ রবিবার, সময় বিকাল ৪:৫৮ মিনিট
খানকাহ এর সুন্নতী ইজতেমা ও মারকাজী মজলিসে আইম্মাহ সমূহ
সুন্নতী ইজতেমাঃ প্রতি বছরের মাহে মুহাররম, মাহে রবিউস সানী ও মাহে রজব এর প্রথম সপ্তাহের বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার হযরাতে সালেকীনদের জন্য রহমানিয়া মাদরাসা সিরাজগঞ্জ প্রাঙ্গনে খানকাহে ইমদাদিয়া আশরাফিয়ার সুন্নতী ইজতেমা অনুষ্ঠিত হবে ইনশাআল্লাহ।
মারকাজী মজলিসে আইম্মাহঃ ১. মাহে শাউয়ালের শেষ শনিবার। ২. মাহে যিলহজের শেষ শনিবার। ৩. মাহে সফরের শেষ শনিবার। ৪. মাহে রবিউস সানীর শেষ শনিবার। ৫. মাহে জুমাদাল আখিরাহ এর শেষ শনিবার। ৬. মাহে রজবের শেষ সপ্তাহে বিষয় ভিত্তিক মজলিস।
বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ- ✓✓ প্রতি আরবী মাসের শেষ বৃহস্পতিবার রহমানিয়া মাদরাসার সকলের জন্য মাসিক সুন্নতী ইজতেমা হবে। ✓✓ প্রতি বছর ২০ শাবান থেকে ৩০ রমাযানুল মুবারক পর্যন্ত ৪০ দিন, রমাযানুল মুবারক এর প্রথম ১৫ দিন, রমাযানুল মুবারক এর শেষ দশক হযরাতে সালেকীনদের জন্য এতেকাফ হবে ইনশাআল্লাহ।
সুন্নতী মজলিস/মজলিসে আইম্মাহ সমূহ (আঞ্চলিক)
সুন্নতী মজলিসঃ ১. ২৯ জুন ২৪ ইং রোজ শনিবার শাহজাদপুরের গাড়াদহ ফিল্ড জামে মসজিদে সুন্নতী মজলিস। ২. ১৩ জুলাই ২৪ ইং রোজ শনিবার উল্লাপাড়ার ডেফলবাড়ী নুরানীয়া হাফিজিয়া মাদরাসায় সুন্নতী মজলিস।
মজলিসে আইম্মাহঃ ১১ জুলাই ২৪ ইং রোজ বৃহস্পতিবার চরমেটুয়ানী মসজিদে ধুকুরিয়াবেড়া ইউনিয়নের মজলিসে আইম্মাহ।

আল্লাহওয়ালাদের রু’ব رعب কোন প্রকারের ভয় বা গাম্ভীর্যতা?

আমাদের এলাকার একজন প্রবীণ আলেমে দ্বীন, দারুল উলুম দেওবন্দের সন্তান। একদিন তাঁর সাথে কোন একটা বিষয়ে মুযাকারা করতে গিয়ে রু’ব رعب (ভয়, গাম্ভীর্যতা) এর আলোচনা উঠে আসলো।

তিনি আমার দিকে চেয়ে বললেনঃ -মাওলানা, কাঁধে রুমাল দিয়ে আর নাকটা ফুলিয়ে হাঁটার নাম রু’ব না। হুযুর আবার রেগে গিয়ে ধমক দেয় কিনা এই ভয়ে কেউ সামনে আসবে না, এটাকে রু’ব মনে করা মাতালের প্রলাপ বকার মতো।
অথচ আমি আমার দেওবন্দের আসাতেজাকে দেখেছি, তারা মুচকি হাসি দিয়ে কথা বলতেন। এমন ভাব নিয়ে থাকতেন না, যে মানুষ তাদের সামনে আসতেই আন ইজি ফিল করতো।

দুজন আওলাদে রাসূলের কথা বলি। একজন সাইয়্যেদ আব্দুল মাজিদ নাদীম রাহিমাহুল্লাহ, আরেকজন সাইয়্যেদ আরশাদ মাদানী হাফিজাহুল্লাহ। দু’জনই প্রসিদ্ধ অনেক বড় বুযুর্গ আলেম। বসুন্ধরা মাদরাসায় পড়ার উসিলায়, বিশেষ করে আমার মাখদুম ও উস্তায মুফতি আব্দুর রহমান রাহিমাহুল্লাহর খেদমতে থাকার বদৌলতে তাদের খেদমত করার সুযোগ পেয়েছিলাম। আলহামদুলিল্লাহ।

এই দুই চোখে দেখেছি, দূর থেকে তাদের গাম্ভীর্য্যতার কারণে মানুষ কাছে যেতে ভয় করতো বা করে। কিন্তু তাদের কাছে গেলে সব সময় হাসি মুখে কথা বলতেন। রু’ব তাদের মাঝেও ছিল বা আছে। কিন্তু তারা ওরকম নাক ফুলিয়ে হাঁটেন না। এটাই আমার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আদর্শ। অথচ, বাংলাদেশী হাযরাতগণের সামনে যেতেও এস্তেখারা করা লাগে।
.

আসুন, সুন্নাহভিত্তিক জীবন গড়ি। প্রিয় রাসূল সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রিয় বনে যাই।

Loading